Skip to main content

প্রিয় মানুষ || বিপুল আহমেদ বিশাল || ঢাকা মেট্রো চ ||



প্রিয় মানুষ  
বিপুল আহমেদ বিশাল

মাঝে মাঝে দুর্গন্ধ ও সুগন্ধ ফুলের মতো,
যদি প্রিয় মানুষটি সাথে থাকে!
অনেক দূরের বাঁকা পথ সহজ কাছের পথ হয়ে যায়,
যদি প্রিয় মানুষটির হাতে হাত রেখে হাঁটা হয়!
মাঝে মধ্যে অসম্ভব কাজ ও সম্ভব হয়,
যদি প্রিয় মানুষটি পাশে থাকে!
যে মানুষটি কখনো পাঁচ মিনিট একা বসে অপেক্ষা করেনি,
যদি প্রিয় মানুষটি হয় ঘন্টার পর ঘন্টা একা বসে অপেক্ষা করেছে!!
নিজেকে অনেক অসুস্থর মধ্যে ও সুস্থ মনে হয়,
যদি প্রিয় মানুষটি সিটের পাশের চেয়ারে বসে থাকে!!
পুরা পৃথিবীকে অন্ধকার মনে হয় কোথাও আলো নেই,
যদি প্রিয় মানুষটি কষ্টে থাকে!!
মৃত্যু কে আপন করে বরন করবো,
যদি আমার মৃত্যুতে প্রিয় মানুষটি সুখি থাকে!!




প্রচ্ছদ : শাহেদ-উর রহমান দীপ্র

Comments

Popular posts from this blog

মানসিক সমস্যায় নারী-পুরুষ | ঢাকা মেট্রো চ

মা ন সিক সমস্যায় না রী-পুরুষ লেখক: কে. এম. ধ্রুব আপনি যখন মেন্টাল স্যাটিসফ্যাকশনের অভাবে ভুগবেন তখন মনোবিজ্ঞানীর দারস্থা হবেন। লক্ষ্য করে দেখবেন মানসিক স্বাস্থ্যসেবা সেন্টারে আপনার আশেপাশে যারা আছে তাদের অধিকাংশ নারী। বাংলাদেশ তথা পুরো বিশ্বেই এসব সেন্টারে নারীরা সংখ্যাগুরু। তবে কি পুরুষেরা মেন্টাল স্যাটিসফ্যাকশনের অভাবে ভুগে না? ধরে নেয়া যাক নারীরা মানসিক সমস্যায় বেশি ভুগে আর পুরুষেরা কম। কিন্তু বিজ্ঞান কি বলে? পরিসংখ্যান কি বলে? বিগত দু বছরে পুরুষের আত্মহত্যার হার নারীদের চেয়ে বেশি প্রায় ৩.৫৪ শতাংশ। এমনকি উন্নত বিশ্বের দেশ আমেরিকাতে ৬মিলিয়ন পুরুষ দুশ্চিন্তায় থাকেন। এখানেই শেষ নয় পুরুষের মাদকাসক্তির হার নারীর চেয়ে ২-৩ গুণ বেশি। মদের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণে যেখানে প্রতি বছর ২৬,০০০ নারী মৃত্যুবরণ করে, যেখানে প্রায় ৬২,০০০ পুরুষ এই কারণে মারা যায়! পুরুষের জন্য যে ব্যাপারটা অতি সাধারণ সেই পুরুষেরাই কেনো মানসিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে কম যান? মূলত ব্যক্তিত্ব বা তথাকথিত পৌরুষপূর্ণ ব্যক্তিত্বের জন্য তারা সমস্যা প্রকাশের ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়ছে। যদিও আমাদের জেনারেশনের আমরা বেশিরভাগ মানুষই...

অপরূপা || লেখক : তারেক সাকিব || ঢাকা মেট্রো-চ ||

চোখের কোণায় কালো কাজলে তোমাকে খুব সুন্দর লাগে।-এহহহ! মিথ্যা বলেন কেন?-মিথ্যা না গো, তিনসত্যি।-আচ্ছা দাড়ান…. বেশ কয়েক মিনিট পর কয়েকটা ছবি পাঠালো ইনবক্সে অপরূপা। পুরো চোখের চারপাশ লেপ্টে ফেলেছে কাজল দিয়ে। তবুও খুব মায়াবী লাগছে ওকে। আসলেই কি ও এতো মায়াবী! নাকি আমিই……. -এখন কেমন লাগছে বলুন-ভয়ংকর সুন্দর লাগছে। বেশ কিছুক্ষণ নীরবতা। হয়তো দুইজনই খুঁজে চলছি কথা। শুরুটা করলো অপরূপা’ই। -দাদা!-হুম বলো।-আমার সাথে আপনার কখনো দেখা হয়েছে?-উহু, হয় নাই।-ফোনে কথা হয়েছে?-হ্যা, বেশ কিছুক্ষণ। -কি কথা হয়েছিল?-অনেক জরুরি কিছু না, আবার ফেলে দেওয়ার মতোও না।-আপনি আমাকে কতটা চিনেন?-খুব অল্পই। -তবুও কেন দাদা?-কী কেন??-সত্যিই বুঝতে পারছেন না? ভাগ্য ভালো মেয়েটা সামনে নেই। না হলে লজ্জায় একেবারে মাটিতে মিশে যেতাম। -আকাশে দেখেছো কত্ত বড় একটা চাঁদ উঠেছে?-হুম।-কিন্তু কালো কালো মেঘের আবরণ, অথচ চাঁদে কলংক লাগাতে পারেনি এতোটুকুও।-আপনি খুব সুন্দর কথা ঘুরাতে পারেন দেখছি!-না কথা ঘুরাইনি। তুমি বোকা, তাই বুঝতে পারোনি। আচ্ছা তোমাকে একটা ধাধা ধরি?-হুম বলেন। ‘চাইতে গেলে পাই না, দিতে গেলে লয় না’, বলতো কি হবে?-জানি ...